জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে ছাত্র শক্তির কফিন মিছিল
জুলাই গণহত্যায় নিহতদের স্মরণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কফিন মিছিল করেছে ছাত্র সংগঠন ছাত্র শক্তি।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা প্রতীকী কফিন বহন করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় তারা জুলাই গণহত্যায় নিহতদের স্মরণে শোক প্রকাশ করেন এবং দায়ীদের দ্রুত নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জুলাই গণহত্যায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দীর্ঘসূত্রতা বা বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা থেকে যাবে। তাই অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে স্বচ্ছ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে হলে বিচার প্রক্রিয়া দৃশ্যমান ও কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো নাগরিক এ ধরনের নৃশংসতার শিকার না হন, সে লক্ষ্যে রাষ্ট্রকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।
কর্মসূচি শেষে জুলাই গণহত্যায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে ছাত্র শক্তির কফিন মিছিল
জুলাই গণহত্যায় নিহতদের স্মরণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কফিন মিছিল করেছে ছাত্র সংগঠন ছাত্র শক্তি।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা প্রতীকী কফিন বহন করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় তারা জুলাই গণহত্যায় নিহতদের স্মরণে শোক প্রকাশ করেন এবং দায়ীদের দ্রুত নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জুলাই গণহত্যায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দীর্ঘসূত্রতা বা বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা থেকে যাবে। তাই অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে স্বচ্ছ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে হলে বিচার প্রক্রিয়া দৃশ্যমান ও কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো নাগরিক এ ধরনের নৃশংসতার শিকার না হন, সে লক্ষ্যে রাষ্ট্রকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।
কর্মসূচি শেষে জুলাই গণহত্যায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন